1. admin@manirampurkantho.com : admin :
শিরোনাম :
বেতন বৈষম্য নিরসনের দাবিতে মণিরামপুরে স্বাস্থ্যকর্মীদের অনির্দিষ্টকালের কর্মবিরতি চলমান ত্রানের চাল চুরির মামলায় প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে বাচ্চুর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা ও মাল ক্রকের আদেশ মনিরামপুরের কৃতি সন্তান ডা. মেহেদী হাসানকে করোনা চিকিৎসায় বিশেষ অবদানের জন্য সংবর্ধনা প্রদান মণিরামপুরে জেল হত্যা দিবসে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত মণিরামপুরে মামার ধর্ষণের শিকার ভাগ্নি অবরুদ্ধ যে কোন সময়ে অপহরণ হতে পারে ধর্ষিতা ধর্ষণ, শিশু নির্যাতন বন্ধসহ অপরাধীদের ফাঁসির দাবীতে মণিরামপুরে বন্ধনের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত মনিরামপুরে ৫৫৫ বস্তা চাউল কান্ডে ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চুসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে ডিবির মামলা মণিরামপুরে মাদ্রাসার সুপার ও সভাপতির বিরুদ্ধে ভূয়া নিয়োগসহ অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন “শুভ মহালয়া”- সবাইকে আগমনীর আনন্দ বার্তা ও শুভেচ্ছা অতিরিক্ত ভর্তি ফি আদায়ের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে উত্তাল মণিরামপুর সরকারী কলেজ ক্যাম্পাস

মণিরামপুরে আওয়ামীলীগ চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮
  • ১৬৫ Time View

নূরুল হক,মণিরামপুর প্রতিনিধি:

মণিরামপুরের কুলটিয়া ইউনিয়নের আওয়ামীলীগ দলীয় চেয়ারম্যানসহ এলাকার ৭জনের নামে মিথ্যা মামলা করার প্রতিবাদে বুধবার বিকেলে আলীপুর বটতলায় জনাকীর্ণ এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলীপুর এজিএম নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সুকৃতি কুমার কবিরাজ। লিখিত বক্তব্যই তিনি বলেন, আলীপুর গ্রামের বিতর্কিত ব্যক্তি বিশ্বজিৎ হালদার তার স্ত্রী সুইটি হালদারকে দিয়ে কুলটিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখর চন্দ্র রায়কে প্রধান আসামী করে আদালতে একটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন নারী নির্যাতন মামলা করেছে। তার দাবী ২৯ জানুয়ারী এই বটতলায় একটি শালিসী সভা অনুষ্ঠিত হলে ওই সভায় বেয়াদবী করার জন্য বিশ্বজিৎ হালদারকে গ্রামের লোকজন চড়-থাপ্পড় মেরে শালিস থেকে বের করে দেয়। এই ঘটনার প্রতিশোধ নিতে বিশ্বজিৎ তার স্ত্রী সুইটিকে দিয়ে গত ৫ ফেব্রুয়ারী নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আদালতে একটি পিটিশন মামলা করেন। যার মামলা নং পি৯/১৮। এই মামলায় চেয়ারম্যানসহ গ্রামের সুব্রত বিশ্বাস, দিপংকর বিশ্বাস, পলাশ বিশ্বাস, কপিল হালদার, বিপ্লব রায় ও অমিতাব বিশ্বাসকে আসামী করা হয়েছে। তিনি জোরালো ভাবে দাবী করেন, সুইটি হালদারের এই মামলাটি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। মামলায় যে ঘটনার কথা উল্লেখ করা হয়েছে তা সুষ্ঠ ও নিরপেক্ষ তদন্ত হলে তা মিথ্যা বলে প্রমাণিত হবে। লিখিত বক্তব্যই দাবী করা হয়, বিশ্বজিৎ হালদার চাঁদাবাজী ও সন্ত্রাসী কর্মকান্ডসহ বিভিন্ন অপরাধের সহিত জড়িত। সে এলাকায় একজন বিতর্কিত ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। এই বিশ্বজিৎ সুন্দলী এলাকায় অনৈতিক কাজে জড়িত হলে তাকে গণপিটুনি দিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়। সেখানকার সাবেক চেয়ারম্যান বিকাশ রায় এই বিষয়টি অবগত বলে লিখিত বক্তব্যই দাবী করা হয়েছে। এরুপ অপর একটি ঘটনায় কুলটিয়া গ্রামে বিশ্বজিৎ ধরা পড়ে গণপিটুনি খেয়ে গ্রাম্য পুলিশের দড়িতে বাধা ছিল। ইতোপূর্বে বিশ্বজিতের এই ধরনের অপকর্মের প্রতিবাদ করায় সে এলাকার গোবিন্দ হালদার, পবিত্র বিশ্বাস, তাপস মল্লিক, রমেশ মন্ডলসহ আরো কয়েকজনকে মারপিট করে প্রান নাশের হুমকি দেয়। সম্মেলনে চেয়ারম্যান শেখর চন্দ্র রায় উপস্থিত থেকে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যর সাথে একমত পোষন করে বিতর্কিত বিশ্বজিতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য উর্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ দাবী করেন।


Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


© All rights reserved © 2020 www.manirampurkantho.com
Site Customized By NewsTech.Com