1. admin@manirampurkantho.com : admin :
  2. jahidjashore98@gmail.com : jahid :
শিরোনাম :
মণিরামপুরে আটককৃত ৫৫৫ বস্তা চাল নিলামে বিক্রি এখনও সক্রিয় মণিরামপুরে চাল পাচার সিন্ডিকেট! ‘আম্ফান’: ছাত্রলীগকে দুর্গত মানুষদের পাশে থাকার নির্দেশ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের ৭ নম্বর বিপদ সংকেত মণিরামপুরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ম্যাসেঞ্জারে কুরুচিপূর্ণ বার্তা দিয়ে প্রেম নিবেদন মনিরামপুরে ফ্রি এ্য্যাম্বুলেন্স সার্ভিস উদ্বোধন করেন সাবেক এমপি পুত্র হুমায়ন সুলতান সরকারী চাল পাচারের ঘটনায় আটক শহিদুলকে আদালতে জবানবন্দি শেষে জেলহাজতে প্রেরণ আইনি জটিলতায় মণিরামপুর থানা চত্বরের খোলা আকাশের নিচে নষ্ট হতে চলছে উদ্ধারকৃত ৫৫৫ বস্তা চাল মণিরামপুরে ট্রাকভর্তি সরকারী চাল কালোবাজারে বিক্রয় সিন্ডিকেট নেতা শহিদুল গ্রেফতার করোনা ভাইরাসে বিক্রি নেই ফুল, কেশবপুরে মাঠেই শুকোচ্ছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল

মনিরামপুরে কাল বৈশাখীর থাবায় লন্ডভন্ড পাকা বোরো ক্ষেত, কৃষকরা দিশেহারা

  • Update Time : শনিবার, ২ মে, ২০২০
  • ১৫৬ Time View

মনিরামপুর প্রতিনিধি ॥ করোনা ভাইরাসের প্রাদূর্ভাব রোধে যশোরে চলছে অঘোষিত লকডাউন। এ লকডাউনের কারনে বোরো ধান কাটার প্রচন্ড শ্রমিক সঙ্কট চলছে। তার ওপর কাল বৈশাখীর ছোবলে লন্ডভন্ড হয়ে গেছে মনিরামপুরে বোরো ধানের পাকা ক্ষেত। ফলে ক্ষেতের পাকা ধান নিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। কৃষি বিভাগ জানিয়েছেন মনিরামপুরে ইতিমধ্যে ২০ ভাগ ধান ক্ষেত থেকে ঘরে তোলা সম্ভব হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া তথ্যমতে, এবার মনিরামপুরে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারন করা হয় ২৯ হাজার ২৫০ হেক্টর জমি। কিন্তু ভবদহের জলাবদ্ধতার কারনে এবার চাষের লক্ষমাত্রা অর্জিত হয়নি। এবার চাষ করা হয় ২৭ হাজার ৮’শ হেক্টর জমিতে। মৌসুমের শুরুতে অনুকুল আবহাওয়া এবং বীজ, সার, কিটনাশকের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় এবার ফলন হয়েছে বেশ ভাল। কিন্তু হঠাৎ করেই শুক্রবার কালবৈশাখীর ছোবল এবং দিনভর বৃষ্টিতে ক্ষেতের পাকাধান লন্ডভন্ড হয়ে পড়েছে। খেদাপাড়া ইউনিয়নের গালদা গ্রামের কৃষক এনামুল হক সোহান জানান, তিনি ইতিমধ্যে ১৫ বিঘা জমির ধান কেটেছেন। কিন্তু শুক্রবারের ঝড় এবং দিনভর বৃষ্টিতে কাটাধান ক্ষেতেই তছনছ হয়ে গেছে। কৃষক আশরাফ হোসেন জানান,ঝড়বৃষ্টিতে তার ক্ষেতের ধানগাছ পড়ে মাটির সাথে মিশে গেছে। শুধু সোহান অথবা আশরাফ নয়। আক্ষেপ করে ওই এলাকার রফিকুল ইসলাম, ফজলুর রহমান, আবদুর রশিদসহ অধিকাংশ কৃষক জানান, ধারদেনা করে বোরো চাষ করা হয়েছিল। কিন্তু বর্তমান বাজার দর কম, তার ওপর ঝড়বৃষ্টিতে ক্ষেতের ধান পড়ে ছয়লাব গয়ে গেছে। আবার এখন মহামারি করোনা ভাইরাসের কারনে শ্রমিকের সঙ্কট থাকায় এ ধান নিয়ে তারা পড়েছে মহাবিপাকে। পৌরশহরের পাইকারী ধান ক্রেতা মোদাচ্ছের আলী জানান,শুক্রবারের ঝড়িবৃষ্টি হওয়াটা কৃষকের পাকাধানে মই দেয়ার সামিল। আবহাওয়া প্রতিকুলে থাকলে এবার বোরো ধান নিয়ে কৃষকের ভোগাািন্তর শেষ নেই। পৌর শহরের দূর্গাপুর, কামালপুর, মহাদেবপুর এবং উপজেলার রাজগঞ্জ, নেঙ্গুড়াহাট, খেদাপাড়া, কাশিমনগর, ভোজগাতী, হরিহরনগর, মশ্বিমনগর, চিনাটোলা, নেহালপুর, দূর্বাডাঙ্গা, ঢাকুরিয়াসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে বোরোধান নিয়ে এ ধরনের সমস্যার কথা জানিয়েছেন কৃষকরা। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হীরক কুমার সরকার ঝড় বৃষ্টিতে বোরো ধানের বেশ ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও তিনি আরো জানান, ইতিমধ্যে উপজেলার ২০ শতাংশ ধান ক্ষেত থেকে ঘরে তুলতে পেরেছেন। অন্যদিকে আবহাওয়া যদি অনুকুলে থাকে তাহলে ১৫ দিনের মধ্যেই বাকী ধান ক্ষেত থেকে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবে ।


Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


© All rights reserved © 2018 www.manirampurkantho.com