1. admin@manirampurkantho.com : admin :
শিরোনাম :
মণিরামপুরে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ ৬/৭ লক্ষ টাকার ক্ষতি মনিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মুরাদের জন্মদিন পালন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক করোনা আক্রান্ত ঢাকা-কলম্বো ছয়টি সমঝোতা চুক্তি সই মণিরামপুরে চাল কান্ডে ভাইস চেয়ারম্যান বাচ্চুর জামিন মণিরামপুরে ৫৫৫ বস্তা চাল কান্ডে প্রতিমন্ত্রী ভাগ্নে ভাইসচেয়ারম্যান বাচ্চু কারাগারে মণিরামপুরে মাধ্যমিকে অটোপাশের দাবিতে মানববন্ধন মণিরামপুর পৌরসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে আওয়ামীলীগ এক কাতারে মণিরামপুর উপজেলা ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন ঐতিহ্যবাহী ছাত্রসংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৭৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী আজ

মণিরামপুরে ৬ কোটি টাকা ব্যয়ে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক নির্মানে অনিয়ম: একই কর্মস্থলে ২৬ বছর থাকা এসও গাউছুল আজমকে হাত করেই চলছে নয় ছয়

  • Update Time : বুধবার, ১৩ নভেম্বর, ২০১৯
  • ৫৮৬ Time View

মণিরামপুর প্রতিনিধি: যশোরের মণিরামপুরে ৬ কোটি ৮ লাখ টাকা চুক্তিতে ভবদহ এলাকার বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ সড়ক নির্মানে নিম্মমানের ইট-খোয়া, বালু ব্যবহার করে বিপুল অংকের অর্থ হাতিয়ে নেয়ার পায়তারা করা হচ্ছে। উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের ক্ষমতাধর এক এসও (তদারকি কর্মকর্তা) কে হাত করে এ কাজের নয় ছয় করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। দরপত্র অনুয়ায়ী কাজের মান ঠিক রাখতে সংশ্লিষ্ট উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা।

জানাযায়, সরকার বন্যা ও দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্থ পল্লী সড়ক অবকাঠামো পুনর্বাসন প্রকল্পের আওতায় অগ্রাধিবকার ভিত্তিতে যশোরের মণিরামপুর-নওয়াপাড়া-কুলটিয়া সড়কের প্রশস্থকরণসহ পুনবার্সনের উদ্যোগ নেয়। ৫.৪১ কিলোমিটার সড়কে প্রায় ৬ কোটি ৫২ লাখ ৩৮ হাজার ৪’শ টাকা বরাদ্দের বিপরীতে মেসার্স মতিউর রহমান নান্নু জেভি নামের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সাথে ৬ কোটি ৮ লাখ টাকা চুক্তিতে কার্যাদেশ দেয়ার পর
চলতি বছরের ২৮ মার্চ থেকে কাজ শুরু হয়। অভিযোগ উঠেছে দরপত্র অনুযায়ী সড়কের বেজে .৫০ মিলিমিটার এফএম মানের বালু রুলারে কমপ্যাকশন (সন্নিবিষ্ট) করার পর ৪৫০ মিলিমিটার হলেই ৮ ইঞ্চি সাববেজ করে নির্মাণাধীন সড়কের পাশে ভাঙ্গানো পিকেট ( ১নং ইট) ইটের খোয়া দিয়ে ৬ ইঞ্চি ম্যাকাডম করার কথা রয়েছে। কিন্তু সরেজমিন গিয়ে দরপত্র অনুযায়ী কাজ না করার চিত্র চোখে পড়ে। বেজে দেয়া হয়েছে নি মানের বালু। ওই বালু রুলারে কমপ্যাকশন না করেই সড়কের আগের ম্যাকাডমের খোয়া-বালি স্কেভেটর মেশিন দিয়ে ট্রলিতে তুলে দেয়া হচ্ছে। সড়কের আরেক প্রান্তে সংশ্লিষ্ট অফিসের ফ্লাড প্রকল্পের কর্মকর্তা রেজার উপস্থিতিতে ইটভাটায় ভাঙ্গানো নি¤œমানের খোয়া ট্রাকে এনে ম্যাকাডম করার চিত্র চোখে পড়ে।

এক প্রশ্নের জবাবে রেজা বলেন, সব কিছু সংশ্লিষ্ট কাজের এসও ( তদারকি কর্মকর্তা) গাউছুল আজম ভালো বলতে পারবেন। কর্মরত শ্রমিক আজহার আলী বলেন, ট্রলিতে তুললেই মিক্সিং হচ্ছে, যা এসও গাউছুল আজমের উপস্থিতিতে ল্যাবটেস্টের পর কাজ করা হচ্ছে। অবশ্য ওই শ্রমিক এটিকে ভূল হিসেবে স্বীকার করেন। কোন ধরনের অনিয়ম হচ্ছে না বলে দাবি করেন এসও গাউছুল আজম। তিনি গত ২৬ বছর ধরে একই কর্মস্থলে আছেন। তিনি এতটাই ক্ষমতাধর বনে গেছেন যে, অফিসের সব কিছু তার নিয়ন্ত্রনেই চলে। বরাবরই তিনি বড় প্রকল্পের এসও’র দায়িত্বও বাগিয়ে নেন। তার ভয়ে বড় কর্তা থেকে অফিসের কর্মচারীরা থাকেন তটস্থ। তার বিরুদ্ধাচরণ করলেই বদলি হতে হয় বলে প্রচার আছে। তদন্ত করলেই বেরিয়ে আসবে বলে সংশ্লিষ্টরা দাবি করেছেন। অবশ্য দক্ষ বলেই এখানে আছেন বলে তিনি দাবি করেন।

প্রণব মল্লিক, রঞ্জিত মল্লিক, শহিদুলসহ উপস্থিত একাধিক স্থানীয়দের দাবি, বন্যা হলে সড়কে কোমর পানি উঠে বিধায় নির্মানে ত্রæটি হলে ভবিষ্যতে তাদেরই ভোগান্তি হবে। উপজেলা প্রকৌশলী রবিউল ইসলাম বলেন, কাজে অনিয়ম হলে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী ইফতেখার আহম্মেদ বলেন, কোন ধরনের অনিয়ম বরদাস্ত করা হবে না। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের কর্ণধারের মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে সেটি বন্ধ থাকায় তার মন্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।


Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


© All rights reserved © 2020 www.manirampurkantho.com
Site Customized By NewsTech.Com