1. admin@manirampurkantho.com : admin :
শিরোনাম :
ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে মণিরামপুরে মৎস্য খাতে ভিডিও কনফারেন্সিং সুফল বয়ে এনেছে প্রতিমন্ত্রীর ভাগ্নে, এপিএসসহ ৫ জনের নামে উপজেলা চেয়ারম্যানের মামলা মণিরামপুরে চিকিৎসকদের পাশে দাঁড়ালেন দানবীর এস এম ইয়াকুব আলী মণিরামপুরে আইন শৃংখলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মণিরামপুরে মেয়াদউত্তীর্ন ঔষুধের জমজমাট কারবার ফার্মেসী মালিক আটক মণিরামপুরে চাঞ্চল্যকর রফি হত্যাকান্ডে ৫ চরমপন্থী সদস্য বন্দুক-কার্তুজসহ আটক যশোর-৬ আসনের উপনির্বাচন নৌকা প্রতীকের প্রার্থী শাহীন চাকলাদারের বিপুল বিজয় মণিরামপুরে ৫৫৫ বস্তা চাউল চুরির ঘটনায় যুবলীগনেতা কুদ্দুস আদালতে যে জবানবন্দি দিল মনিরামপুরে ৫৫৫ বস্তা চাউলকান্ডে যুবলীগনেতা আব্দুস কুদ্দুস আটক ‘বাংলাদেশ যাত্রাশিল্প উন্নয়ন পরিষদ, মণিরামপুর’র স্মরকলিপি প্রদান

সুবীর নন্দীর চির বিদায়

  • Update Time : মঙ্গলবার, ৭ মে, ২০১৯
  • ২২৯ Time View

বিনোদন ডেক্স: বরেণ্য সংগীতশিল্পী সুবীর নন্দী আর নেই। সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বাংলাদেশ সময় ভোর সাড়ে ৪টায় মারা যান তিনি।

সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এই শিল্পীকে বাংলাদেশ সময় মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৪টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।

তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন শিল্পীর মেয়ে জামাতা রাজেশ শিকদার। তিনি জানান, সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পরপর তিনবার হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন সুবীর নন্দী।

এর আগে ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায়ও একবার ‘হার্ট অ্যাটাক’ হয়েছিল তাঁর। ১৮ দিন ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) চিকিৎসাধীন থাকার পর গত ৩০ এপ্রিল সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয় সুবীর নন্দীকে।

বাংলাদেশে সুবীর নন্দীর চিকিৎসার বিষয়টি সমন্বয় করছিলেন অধ্যাপক সামন্তলাল সেন। তিনি বলেন, ‘বারবার হার্ট অ্যাটাক হয়েছে তাঁর, সেইসঙ্গে সুবীর নন্দীর মাল্টিপল অর্গান ফেইলিউর হচ্ছিল।’

সুবীর নন্দী ১৯৫৩ সালের ১৯ নভেম্বর হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং থানায় নন্দী পাড়া নামক মহল্লায় এক কায়স্থ সম্ভ্রান্ত সঙ্গীত পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

ছোটবেলা থেকেই তিনি ভাই-বোনদের সঙ্গে শাস্ত্রীয় সঙ্গীতে তালিম নিতে শুরু করেন ওস্তাদ বাবর আলী খানের কাছে। তবে সঙ্গীতে তার হাতেখড়ি মায়ের কাছেই।

সুবীর নন্দী গানের জগতে আসেন ১৯৭০ সালে ঢাকা রেডিওতে প্রথম রেকর্ডিং এর মধ্য দিয়ে। প্রথম গান ‘যদি কেউ ধূপ জ্বেলে দেয়’। গানটির গীত রচনা করেন মোহাম্মদ মুজাক্কের এবং সুরারোপ করেন ওস্তাদ মীর কাসেম।

৪০ বছরের দীর্ঘ ক্যারিয়ারে গেয়েছেন আড়াই হাজারেরও বেশি গান। বেতার থেকে টেলিভিশন, তারপর চলচ্চিত্রে গেয়েছেন অসংখ্য জনপ্রিয় গান। চলচ্চিত্রে প্রথম গান করেন ১৯৭৬ সালে আব্দুস সামাদ পরিচালিত সূর্যগ্রহণ চলচ্চিত্রে। ১৯৮১ সালে তার একক অ্যালবাম ‘সুবীর নন্দীর গান’ ডিসকো রেকর্ডিংয়ের ব্যানারে বাজারে আসে। তিনি গানের পাশাপাশি দীর্ঘদিন ব্যাংকে চাকরি করেছেন।

চলচ্চিত্রের সঙ্গীতে তার অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদান করেন। এছাড়া সঙ্গীতে অবদানের জন্য ২০১৯ সালে বাংলাদেশ সরকার তাকে দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত করে।


Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


© All rights reserved © 2020 www.manirampurkantho.com
Site Customized By NewsTech.Com