1. admin@manirampurkantho.com : admin :
শিরোনাম :

ক্রিকেটার মোসাদ্দেকের বিরুদ্ধে স্ত্রী সামিয়ার মামলা

  • Update Time : সোমবার, ২৭ আগস্ট, ২০১৮
  • ৫১৬ Time View

নিউজ ডেস্কঃ জাতীয় দলের ক্রিকেটার মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের বিরুদ্ধে নারী নির্যাতন ও ১০ লাখ টাকা যৌতুকের দাবি করার অভিযোগে মামলা করেছেন তার স্ত্রী সামিয়া শারমিন উষা। রোববার দুপুরে ময়মনসিংহের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটের ১ নম্বর আমলী আদালতে যৌতুক নিরোধ আইনে এই মামলাটি দায়ের করা হয়।

 

সামিয়া শারমিনের বড় ভাই মোজাম্মেল কবির মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলার অভিযোগ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ২০১২ সালের ২৮ অক্টোবর মোসাদ্দেক হোসেন সৈকতের সঙ্গে তার খালাত বোন সামিয়া শারমিন উষার বিয়ে হয়। বিয়ের পূর্বে প্রেমের সম্পর্ক থাকলেও দুই পরিবারের সম্মতিতেই পারিবারিকভাবে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তারা। বিয়ের পর ময়মনসিংহের কাঁচিঝুলিতে নিজ বাসায় সামিয়াকে রেখে সৈকত বেশিরভাগ সময় ক্রিকেট খেলার জন্য ঢাকায় অবস্থান করতেন। শারীরিক নির্যাতনে একবার সামিয়ার গর্ভপাত ঘটানোর অভিযোগ রয়েছে। সর্বশেষ ১০ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করে সামিয়ার ওপর নতুন করে নির্যাতন চালায় মোসাদ্দেক।

 

অভিযোগে আরও বলা হয়, গত ১৫ আগস্ট নিজ বাসায় স্ত্রী সামিয়াকে বাবার বাড়ি থেকে ১০ লাখ টাকা যৌতুক এনে দেওয়ার জন্য স্বামী মোসাদ্দেক ও তার মা পারুল বেগম শারীরিক নির্যাতন চালায়। খবর পেয়ে পরিবারের সদস্যরা সামিয়াকে উদ্ধার করেন।

 

সামিয়ার বড় ভাই মোজাম্মেল কবির জানান, খালাতো ভাই সৈকত পারিবারিকভাবে মেলামেশার সুযোগে ছোট বোন সামিয়া শারমিনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে দুই পরিবারের সম্মতিতে বিয়ে হয়। সৈকত জাতীয় দলে নিয়মিতভাবে সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই তার নৈতিক স্খলন হয়। তার অভিযোগ, সৈকত ঘরে বসেই বন্ধুদের নিয়ে মদ্যপ অবস্থায় নানা করুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন। এক পর্যায়ে পর নারীতে আকৃষ্ট হয়ে নানা অসামাজিক কার্যক্রমে লিপ্ত হয় সৈকত। সামিয়া প্রতিবাদ করলেই সৈকত ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতেন।

 

এ দিকে রোববার রাতে সামিয়া শারমিন উষা বলেন, সৈকত তার কাছে ব্যবসা করার জন্য গত ১৫ আগস্ট দশ লাখ টাকা দাবি করেন। ওই টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে সৈকত দ্বিতীয় বিয়ে করবে বলে জানায় এবং তাকে মারধর করেন।

 

এদিকে সৈকতের ছোট ভাই মোসাব্বের হোসেন মুন জানান, ৬ বছর আগে সৈকতের সঙ্গে উষার বিয়ে হলেও বনিবনা না হওয়ায় গত ১৫ আগস্ট সৈকত ডিভোর্স লেটার পাঠায় সামিয়াকে। কিন্তু সামিয়া বিয়ের কাবিননামার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ ভাইয়ের কাছে দাবি করে। সৈকত সেই টাকা না দেওয়ায় মিথ্যা ও বিভ্রান্তিকর তথ্য দিয়ে ওই মামলাটি দায়ের করেন বলেও দাবি করেন তিনি।


Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category


© All rights reserved © 2020 www.manirampurkantho.com
Site Customized By NewsTech.Com